কুমিল্লার প্রাণপ্রবাহ গোমতী নদী পরিদর্শন করেছেন আমিন উর রশীদ ইয়াছিন। শুক্রবার বিকেলে তিনি নদীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং নদীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
গোমতী নদী
দুদিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কুমিল্লার গোমতী নদীতে হঠাৎ করেই পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।বুধবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টায় নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৩০ মিটার, যা বিপদসীমা থেকে মাত্র ৩ মিটার নিচে রয়েছে।
ফুটবল খেলার সময় গোমতী নদীর চরের খাদে পড়ে জিসান নামে ১৩ বছর বয়সী কিশোর নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমতলি এলাকায় গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
গোমতী নদীর কুমিল্লার বুড়িচং অংশে গরুর জন্য ঘাস নিয়ে সাঁতরে নদী পাড়ি দেওয়ার সময় আবু ইউসুফ (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজের ৪ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
‘কুমিল্লার দুঃখ’ খ্যাত গোমতী নদীর পানি অবশেষে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদীটির পানি।মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কুমিল্লার গোমতী নদী থেকে দুটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।